1. mayabanglatv@gmail.com : admin2020 :
  2. hasibahmed885@gmail.com : Hasib Ahmed : Hasib Ahmed
বুধবার, ২৭ অক্টোবর ২০২১, ১০:৫৭ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম ::
যুক্তরাজ্যের স্বাস্থ্যমন্ত্রীকে ‘অসহায়’ বললেন রানি সোনার বাংলা গড়তে বঙ্গবন্ধু পুরো জীবন উৎসর্গ করেছেন: পররাষ্ট্রমন্ত্রী সাতক্ষীরার সাবেক সিভিল সার্জনসহ নয়জনকে দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা টিকা দেয়নি দিল্লি, তাই ইলিশও পাঠাচ্ছে না ঢাকা: আনন্দবাজার করোনা : সাত জেলায় চলাচল বন্ধ ঘোষণা পাটুরিয়া-দৌলতদিয়ায় নির্দেশনা অমান্য করে ফেরিতে বাস পারাপার জরুরী নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি রাজশাহীতে ফোন দিলেই পৌঁছে যাবে জামিল ব্রিগেডের ফ্রি অ্যাম্বুলেন্স বিশ্বে জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত হওয়া মানুষ সোয়া ৮ কোটি: জাতিসংঘ ফরিদপুরে ২৪ ঘণ্টায় আরও ৯৩ জনের করোনা শনাক্ত নাসির ইউ মাহমুদসহ ৫ জনের বিরুদ্ধে মাদক আইনে মামলা যশোর ও নওয়াপাড়া পৌর এলাকায় বিধিনিষেধ করোনা শনাক্ত আবার দুই হাজার ছাড়াল “আমি বাংলাদেশ”ট্যালেন্ট হান্ট কম্পিটিশন ই ট্যালেন্ট হান্ট-2021 দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় শনাক্ত কোভিড-১৯ রোগীর সংখ্যা আগের দিনের চেয়ে কমলেও মৃত্যু বেড়েছে। ভারতে দ্বিতীয় ঢেউয়ের নেপথ্যে করোনার ‘মারাত্মক সংক্রামক’ ডেল্টা প্রজাতিই, বলছে সমীক্ষা করোনায় মৃত্যু ও শনাক্ত দুটিই বেড়েছে আফগানিস্তানকে জিততে দিল না বাংলাদেশ ইতালিতে ১২ বছরের বেশি বয়সীদের টিকা দেওয়া শুরু

ক্যাথলিন ফলবিগ: অস্ট্রেলিয়ান ‘সিরিয়াল খুনি’কে মুক্ত করতে কেন এগিয়ে এসেছেন বিজ্ঞানীরা

  • আপডেট সময় বৃহস্পতিবার, ১৮ মার্চ, ২০২১
  • ৫৩২ বার পড়া হয়েছে

মনে করুন আপনি একজন মা, চার সন্তানের জন্ম দিয়েছেন। দশ বছরে আপনার একজনের পর একজন সব কটি সন্তান শিশুকালে স্বাভাবিক কারণে মারা গেছে। কেমন মনের অবস্থা হবে আপনার?

এরপর মনে করুন আপনার বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ আনা হয়েছে যে, আপনি সব কটি সন্তানকে শ্বাসরোধ করে মেরে ফেলেছেন। চারটি ভয়ানক অপরাধের দায়ে আপনাকে ৩০ বছরের কারাদণ্ড দেয়া হয়েছে, যে অপরাধ আপনি করেননি। আপনার প্রতিক্রিয়া কেমন হবে?

অস্ট্রেলিয়ার নিউ সাউথ ওয়েলসের হান্টার ভ্যালি এলাকার একজন মা ক্যাথলিন ফলবিগের প্রায় ১৮ বছর আগের অপরাধ নিয়ে এখন এরকম ভাষ্যই শোনা যাচ্ছে বলে এক প্রতিবেদনে জানাচ্ছেন সিডনি থেকে সংবাদদাতা কোয়েন্টিন ম্যাকডারমট।

ক্যাথলিনকে ২০০৩ সালে খুনের মামলায় “অস্ট্রেলিয়ার সবচেয়ে দুধর্ষ নারী সিরিয়াল খুনি” বলে আখ্যা দেয়া হয়েছিল।

তার চার সন্তানকেই তিনি হত্যা করেছিলেন বলে দোষী সাব্যস্ত হন এবং তিরিশ বছরের কারাদণ্ডের ১৮ বছর সাজা তিনি ইতোমধ্যেই খেটেছেন।

কিন্তু এতদিন পর বিজ্ঞানীরা নতুন যেসব তথ্য নিয়ে এসেছেন তাতে এই মামলার রায় সঠিক কি না তা নিয়ে বড় ধরনের সন্দেহ দেখা দিয়েছে।

গত সপ্তাহে ৯০জন বিশিষ্ট বিজ্ঞানী, বৈজ্ঞানিক উপদেষ্টা এবং চিকিৎসা বিশেষজ্ঞ একটি পিটিশনে সই করে মিজ ফলবিগকে ক্ষমা প্রদর্শনের এবং তাকে অবিলম্বে মুক্তি দেবার আবেদন জানিয়েছেন।

স্বাক্ষরদানকারীদের মধ্যে রয়েছেন দুজন নোবেল পুরস্কার বিজয়ী, বর্ষসেরা অস্ট্রেলীয় খেতাব পাওয়া দুই ব্যক্তি, একজন প্রধান বিজ্ঞানী এবং অস্ট্রেলীয় এ্যাকাডেমি অফ সায়েন্সের প্রেসিডেন্ট অধ্যাপক জন শিন।

তিনি বলেছেন: “এই মৃত্যুর ঘটনাগুলোতে এখন যেসব বৈজ্ঞানিক এবং চিকিৎসাগত তথ্যপ্রমাণ দেখা যাচ্ছে, তাতে এই আবেদনে স্বাক্ষর করাটাই যৌক্তিক মনে করছি।”

মিজ ফলবিগকে যদি মুক্তি দেয়া হয়, তাহলে এটি হবে অস্ট্রেলিয়ার ইতিহাসে ভুল বিচারে শাস্তিপ্রদানের সবচেয়ে খারাপ দৃষ্টান্ত।

২০০৩ সালের এপ্রিলে তার বিরুদ্ধে হত্যা মামলার শুনানিতে আদালতে ক্যাথলিন ফলবিগ

ছবির উৎস,THE SYDNEY MORNING HERALD/GETTY IMAGES

ছবির ক্যাপশান,২০০৩ সালে তার বিরুদ্ধে হত্যা মামলার শুনানিতে ক্যাথলিন ফলবিগ (বামে)

পিটিশনে কী আছে?

এই পিটিশনে বিজ্ঞান এবং আইনের মধ্যে ব্যাখ্যায় যে বিশাল ফারাক রয়েছে তা উঠে এসেছে।

মিজ ফলবিগের রায়ের বিরুদ্ধে বেশ কয়টি আপিল করা হয়েছিল। তাকে দোষী সাব্যস্ত করে দেয়া রায় ২০১৯ সালে যখন পুনঃবিবেচনা করা হয় তখনও অস্ট্রেলিয়ার আইনজীবীরা রায় দেন যে, তার দোষ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হয়েছে। তারা পরিস্থিতিগত তথ্যপ্রমাণ এবং মিজ ফলবিগের সেসময়কার একটি ডায়রিতে লিপিবদ্ধ কিছু ধোঁয়াটে তথ্যের ওপরই মূলতঃ জোর দেন।

“ফলে আইনজীবীদের সামনে একটা মাত্র সিদ্ধান্তে পৌঁছনর রাস্তাই খোলা ছিল যে, তিনি ইচ্ছাকৃতভাবে সন্তানদের ক্ষতি করেছেন এবং তাদের শ্বাসরোধ করে হত্যা করাটাই ছিল এক্ষেত্রে একমাত্র পদ্ধতি,” বলছেন সেসময় মামলার নেতৃত্বদানকারী সাবেক বিচারক রেজিনাল্ড ব্লাঞ্চ। “তথ্যপ্রমাণ যা ছিল তাতে মিজ ফলবিগ ছাড়া আরও কারোর পক্ষে এই কাজ করা সম্ভব ছিল না।”

নিউ সাউথ ওয়েলস প্রদেশের সরকার জনগণকে দু বছর আগে আশ্বস্ত করে যে, “সমস্ত সম্ভাবনা খতিয়ে দেখা হয়েছে, তদন্তে কোন ফাঁক রাখা হয়নি।”

কিন্তু বিজ্ঞানীরা জোরেসোরে বলতে শুরু করেছেন যে, তাকে দোষী প্রমাণ করার পেছনে যথেষ্ট সন্দেহের কারণ রয়েছে। “বিজ্ঞানের ব্যাখ্যা এখানে খুবই গুরুত্বপূর্ণ এবং তা উপেক্ষা করা যায় না,” বলেন মানবদেহের জিন বিশেষজ্ঞ গবেষক অধ্যাপক জোসেফ গেয।

শিশু ও জন স্বাস্থ্য বিষয়ে গবেষক অধ্যাপক ফিয়োনা স্ট্যানলি বলেন: “চিকিৎসাগত ও বৈজ্ঞানিক তথ্যপ্রমাণকে এই মামলায় অগ্রাহ্য করা হয়েছে এবং বিজ্ঞানকে ছাপিয়ে গুরুত্ব দেয়া হয়েছে পরিবেশ ও পরিস্থিতিগত তথ্যের ওপর। ফলবিগ সন্তানদের মৃত্যুর ব্যাপারে আমাদের হাতে বিকল্প ব্যাখ্যা রয়েছে।”

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর

Copyright © 2021 Insider Inc. prochartv.com       Office: House No: 20, Level: A-4, [Lake View Sight] Road No: 104, Gulshan-2, Dhaka-1212. Hotline:  T&T: +880255059840, IP Phone: +8809613828277                                 Email: mailprochartv@gmail.com

                                                                               

Customized By BlogTheme